সিন্ডিকেট ২০২২ | Syndicate (2022) | রিভিউ | নো স্পয়লার | চরকি | Chorki

Please wait 10 seconds...
Scroll Down & Click Get Link
Congrats! Link is Generated
সিন্ডিকেট ২০২২ | Syndicate (2022) |  রিভিউ  | নো স্পয়লার | চরকি | Chorki
#Spoiler_alert🚫
Series Name: Syndicate 
No. of Eoisode: 07
Genre: Crime-Thriller 
Personal Rating: 7.5/10
"কাজল চোখের মেয়ে
আমার দিবস কাটে বিবশ হয়ে
তোমার চোখে চেয়ে।"
বাংলাদেশের আরেকটি ক্রাইম থ্রিলার সিরিজ হলো সিন্ডিকেট। সিরিজ জগতে শিহাব শাহীন এর একটি সুন্দর সৃষ্টি। অভিনয়ে আফরান নিশো, নাজিফা টুশি, তাসনিয়া ফারিন সহ আরও অনেকে। অভিনয়ের দিক থেকে আফরান নিশো (আদনান) এক কথায় অনবদ্য। নাজিফা টুশির (জিশা) অভিনয় কিছু যায়গায় ভালো লাগে নি। আর কিছু যায়গায় তার এক্সপ্রেশন আসলেই প্রশংসার দাবিদার। তাসনিয়া ফারিন (স্বর্ণা) তার বেস্ট দিয়েছেন।
আমাদের গল্পের জিশা আর আদনান একে অপরকে ভালোবাসে। আদনানের ছোট থেকেই একটু মাইল্ড অটিজমের সমস্যা আছে তাই সে বাইরের পরিবেশে চটজলদি মিশতে পারে না। আর তার এই সরলতাই ভালো লেগে যায় জিশার। সে আদনানের প্রেমে পড়ে। গল্পে দেখা যায় তারা দুজনেই একটি বেসরকারি ব্যাংকের জব হোল্ডার। জিশা সিনিয়র অফিসার আর আদনান আইটি এক্সপার্ট। ভালোই চলছিলো তাদের প্রেম। হঠাৎ করেন আদনান জিশার মাঝে কিছু পরিবর্তন লক্ষ্য করে। সে জিশাকে অলয়েজ চিন্তিত, অস্থির এভাবে দেখে তার কাছে কারণ জানতে চায়। জিশা জানায় ২-৩ দিন পরেই সে সব আদনান কে জানাবে। এর মধ্যে জিশা হঠাৎ আদনানকে ফোন দিয়ে জানায় তারা আজই কাজি অফিসে গিয়ে এই মুহুর্তে বিয়ে করবে। তাই আদনান কে সে বেরিয়ে আসতে বলে অফিস থেকে। কথা মতো আদনান বাইরে বের হতেই তার সামনে রাখা গাড়ির উপরে উড়ে এসে পড়ে জিশার বডি। চারদিকে রক্তে ভেসে যেতে শুরু করে। চোখের সামনে নিজের প্রেমিকার রক্তাক্ত লাশ দেখে আদনান ট্রমাটাইজড হয়ে পড়ে। শুরু হয় পুলিশি তদন্ত আর সেখানে বরাবর দোষী করা হয় আদনান কে যে সে জিশাকে এটা করতে প্ররোচিত করেছে তার মানে তারা এটা প্রমাণ করতে চায় যে জিশা আত্মহত্যা করেছে। আদনান আর জিশার সম্পর্কে ঝামেলা চলছিলো তাই জিশা মুক্তি চেয়েছে আদনানের কাছে থেকে কিন্তু আদনান না দেয়ায় জিশা আত্মহত্যা করেছে। 
কিন্তু আদনান তা মানতে নারাজ। যে মেয়ে ২০ মিনিট আগেই ফোন দিয়ে বিয়ে করার জন্য কাজী অফিসে যেতে বললো সে কেন আত্মহত্যা করবে!!! কিছুতেই ঘটনা মেলাতে পারে না আদনান। তার মাথায় স্টাক হয়ে যায় জিশাকে হত্যা করা হয়েছে। এখন সে কি আসলেই এটা প্রমাণ করতে পারবে যে এটা একটা মার্ডার? নাকি সে ব্যর্থ হবে? আর কেনই বা জিশা মৃত্যুর আগে একটি কোড সেন্ড করতে চেয়েছিলো আদনান কে? কি আছে ওই কোডের ভেতর? এইসব প্রশ্নের উত্তর পেতে হলে দেখতে হবে সিন্ডিকেট সিরিজটি। প্রথম দিকে বেশ স্লো লাগলেও শেষে এসে একটু ভালো ফীল দিচ্ছিলো। তবে লাস্ট এপিসোডের ক্লাইমেক্সে ভালো লাগলেও হতাশ হয়েছি এন্ডিং দেখে। এন্ডিং খারাপ ছিলো বলবো না। তবে মনে হচ্ছিলো এন্ডিং এ কি যেন নেই; কিছু থাকলে ভালো লাগতো আর লাস্ট এপিসোডে তাসনিয়া ফারিনের পরিনতি তে আমি হতাশ হয়েছি। এটা না রাখলেও পারতো। 
সিজন ২ আসবে কিনা জানি না। হয়তো আসবে; কারণ দোষীদের শাস্তি হয় নি। আর অনেক দোষী হাইলাইট ও হয় নি।
সবশেষে হ্যাপি ওয়াচিং🥀
🎬 Syndicate
• চরকিতে সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত ওয়েব সিরিজ 'সিন্ডিকেট' যেখানে অভিনয় করেন আফরান নিশো, নাজিফা তুষি এবং তাসনিয়া ফারিন সহ আরো অনেক সুপরিচিত মুখ। অভিনয়ে সবাই সবার জায়গায় ঠিকঠাক তবে বিশেষ দুইজন নিশো এবং তুষি ; এক কথায় তাদের রসায়ন অসাধারণ। আরো বিশেষভাবে বললে আফরান নিশো - দা ওয়ান ম্যান শো যার চরিত্রে ঢুকে যাওয়ার ক্যাপাবিলিটি দিনকে দিন তাকে আরো এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। গল্পে আফরান নিশো 'অ্যাসপারগার সিনড্রোম' এ আক্রান্ত।
• 'অ্যাসপারগার সিনড্রোম' এক প্রকার আত্মসংবৃতি-কে বোঝায় যাতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির শৈশব এবং জীবনব্যাপী বিকাশ প্রক্রিয়ায় এক প্রকার ত্রুটি বা পার্থক্য ঘটে যার ফলে ব্যক্তির সামাজিক আচরণ অস্বাভাবিক হয়ে পড়ে। সাধারণত, এই লক্ষণসমূহ বিশিষ্ট ব্যক্তির চিন্তা করার ক্ষমতা প্রবল হয় এবং যুক্তিতর্ক করার ক্ষমতাও ভাল হয়।এই রোগে আক্রান্তরা বেশ অন্তর্মুখী স্বভাবের হয়ে থাকে, সামাজিক আচরণ করতে তারা ব্যর্থ হয়। ( তথ্য: উইকি)
 ---- Spoiler Alert ---
কাহিনী সংক্ষেপঃ
দিনে দুপুরে স্বনামধন্য এক ব্যাংকের ছাদ থেকে পড়ে গিয়ে নিহত হয় ব্যাংক কর্মকর্তা জিশা। সবাই ধারণা করছে, এটা আত্মহত্যা। কিন্তু জিশার প্রেমিক ও সহকর্মী আদনানের ধারণা ঠান্ডা মাথায় খুন করা হয়েছে জিশাকে। তাই আরেক সহকর্মী স্বর্ণাকে সঙ্গে নিয়ে সত্য উদ্‌ঘাটনে নেমে পড়ে আদনান।
> ঈদের কন্টেন্ট হিসেবে সিন্ডিকেট নিয়ে চরকিকে সফল বললে ভুল হবে না। আশাকরি দ্বিতীয় সিজন শিঘ্র‌ই আসবে। সিন্ডিকেট ওয়েব সিরিজের সবচেয়ে উপভোগ্য বিষয় ছিল 'আদনান' চরিত্রে আফরান নিশোর অভিনয় ❤️
Series:- Syndicate | Episodes:- 7 
                        Little Bit Spoiler 
:: যে গল্প দেখানো হইছে তার ব্যাপ্তি খুব কম। অনন্ত সিরিজ বানানো যায় এমন ব্যাপ্তি ছিল না। এক্ষেত্রে সিরিজ ইন্টারস্টিং করানোর জন্য কিছু সাবপ্লট অথবা ক্যারেক্টার কনপ্লিক্ট এছাড়া কত কিছুই না রাখা যায়। কিন্তু শিহাব শাহিন এইসব কিছুই না রেখে প্রথম ৪এপিসোডের স্ক্রিনপ্লে এত্ত পরিমাণ স্ট্রেস করছে তা রীতিমতো ধৈর্য পরীক্ষা দিতেছি মনে হইছে! সিন একটা শুরু এবং শেষে বাড়তি সময়ব্যয়, নরমাল সিকুয়েন্স একটাও অহেতুক লম্বা করে দেখানো। যে ফরাসগঞ্জ ব্রাঞ্টা নিয়ে এত কাহিনী তা নিয়ে শেষ পর্যন্ত কিছুই বলা হল না। ফরাসগঞ্জের এমডি, জিশার দেওয়া লক এর নাম্বার এগুলাে এর শেষ ভূমিকা দেখে হতাশ। ভেবেছিলাম ব্যাংক জালিয়াতির কিছু হবে কিন্তু সরলরেখা কাহিনি ছিল। সিরিজের সাথে 'সিন্ডিকেট' নামটাই যায় না। 
• পুরা সিরিজে নিশোর ক্যারেক্টার বাদে আর একটা ক্যারেক্টারও ওয়েল ডেভেলপ মনে হয় নাই। নিশো একাই সিরিজ টানতেছে। এছাড়া কিছু ক্যারেক্টারের অভিনেয় ঘাটতি ছিল, আর কিছুর স্কোপ থাকার পরেও মোটামুটি মানের পারর্ফমেন্স দিয়েছে। যদিও এইসবের মাঝে কিছু ভালো দিক আছে...নিশো তার অভিনয় দিয়ে অলওয়েজ সন্তুষ্ট করতে পারে এইবারও তার ব্যতিক্রম হয় নাই। নাসিরুদ্দিন এর এলেন স্বপন চরিত্রে ভালোই লেগেছে। মহানগর সিরিজে সল্প সময়ে নিজের ছাপ রেখে গেছেন। এরপর থেকে ভিন্ন ভিন্ন অবতারে হাজির হয়ে চমকে দিচ্ছেন। রাশেদ মামুনের ক্যারেক্টার'টা বেশ ইন্টারস্টিং ছিল। শতাব্দী ওয়াদুদকে নিয়ে এইবার হতাশ। এছাড়া মানি লন্ড এবং এটার সাথে ব্যাংকিং কার্যাবলী গুলা খুব ভালোভাবে দেখানো হয়েছে এটা প্রশংসনীয়। 
• সারসংক্ষেপ:- অভিযোগ এর শেষ নাই, প্রাপ্তি হিসাবে শুধু নিশোর পারর্ফমেন্সই।
সিরিজের নাম: সিন্ডিকেট
সিজন: ১ম
এপিসডের সংখ্যা: ০৭
ওটিটি রিলিজ প্লাটফর্ম: চরকি
কান্ট্রি: বাংলাদেশ
জনরা: ড্রামা/ক্রাইম/থ্রীলার
ডিরেক্টর: শিহাব শাহীন
অভিনয়: আফরান নিশো,তাসনিয়া ফারিন,নাজিফা তুশি এবং আরো অনেকেই!
🤏হালকা স্পয়লার থাকতে পারে💥
👉প্লট:Asperger's Syndrome এ আক্রান্ত বেঙ্গল ব্যাংকের সিনিয়র আইটি ম্যানেজার হাবিবুর রহমান আদনান এবং তার গার্লফ্রেন্ড একই ব্যাংকের কর্মী জোবাইদা ইয়াসমিন জিসা কে নিয়ে মুলত গল্পের শুরু।রোমান্টিক থ্রীলার হিসেবে শুরু করা সিরিজ শেষ হবে একটা রিভেঞ্জ থ্রিলার দিয়ে যা ট্রেইলার দেখেই আন্দাজ করা গেছিলো..ছোট সিরিজ।প্লট বা গল্প এর চাইতে বেশি বললে পুরাটা স্পয়লার হয়ে যাবে...
তবে রোমান্টিক থ্রীলার থেকে রিভেঞ্জ থ্রীলারে কেন রুপ নিল এটা জানতে অবশ্যই দেখে ফেলুন সদ্য রিলিজ পাওয়া চরকির অরিজিনাল সিরিজ সিন্ডিকেট....
👉রিভিউ: "কাজল চোখের মেয়ে
আমার দিবস কাটে বিবস হয়ে তোমার চোখে চেয়ে,
আমার বুকে আকাশ
তুই তাকালে থমকে থাকে আমার বুকের বা পাশ"
কবিতার লাইনের এই ডায়ালগ টা দিয়ে ই শুরু করি❤️
এটা হলফ করে বলতে পারি নিশোর সেরা কাজগুলার মধ্যে আরো একটা হয়ে থাকতে যাচ্ছে এটা..কি সুন্দর সাবলীল অভিনয় টা নাই করলেন!
একটা মানুষ যেন নিজেকে নিজে ছাড়িয়ে যাচ্ছেন অভিনয় দিয়ে।
তারপরে আছেন শিহাব শাহীন।উনার ডিরেকশনের প্রথম চরকির সিরিজ ছিলো নিশোর সাথেই মরিচীকা।এক্সপেকটেশন অনুযায়ী তেমন ভাল ওইটা না হইলেও এইটার ট্রেইলার দেখে মনে হয়েছিল ভাল কিছু একটা হয়তো পেতে যাচ্ছি।
সিনেমাটোগ্রাফি ও ব্যাকগ্রাউন্ড স্কোর ছিল একদম পার্ফেক্ট ফর দিস স্টোরি।বিশেষ করে ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক ছিল সত্যি ই অসাধারণ!
স্টোরি বিল্ডাপে একটু কনফিউজড ছিলাম,কারণ মনে হচ্ছিল লাস্টে যেয়ে একটু বেশি ই তালগোল পাকিয়ে ফেলবে..তবে সব ঠিকঠাক ছিল শেষ পর্যন্ত..স্ক্রিনে আপনার চোখ ধরে রাখার মত অনেক ভাল চেষ্টা ছিল ডিরেক্টরের কাছ থেকে..
তবে যারা একটু স্লো টাইপ স্টোরি বিল্ডাপ বা ড্রামাটিক টাইপ স্টোরি বিল্ডাপ পছন্দ করেন না তাদের হয়তো ভাল লাগবেনা।
তবে প্রথম এপিসড থেকেই আপনাকে যে ডিরেক্টর একটা সাসপেন্স রাখবে এটা নিশ্চিত!
সুন্দর একটা সাইকোলজিক্যাল সাসপেন্স ও পাবেন।তবে সব ছাপিয়ে আফরানের অভিনয় টাই আপনাকে বেশি ভাল লাগাতে বাধ্য করবে এটার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত দেখতে।এছাড়া নাজিফা তুশি এবং ফারিন ও যার যার জায়গা তে পার্ফেক্ট ছিল।এবং আরো যারা অভিনয় করেছেন মোটামোটি সবাই সবার সেরাটা দিয়েছেন এটাকে ভাল করার জন্য..
তবে পুলিশের ইনভেজটিগেশন আরো ভাল করে দেখানোর দরকার ছিল গল্প টা আরেকটু গুছিয়ে মেইবি করা যেতো..লাস্ট দিকের ক্লাইম্যাক্স গুলা কেমন জানি মিলতেছিল না গল্পের সাথে..একটু বেশি ই সিনেমাটিক করার তারাহুরা না করলে আরো জমতো জিনিস টা👌
যেহেতু শেষের দিকে একটা হিন্ট থাকলো দ্বিতীয় পর্ব আনার আশা রাখি কাটিয়ে উঠবে এই জিনিসগুলা।
আমরা বড় পর্দাতে তেমন ভাল কিছু না পেলেও ছোট পর্দাতে কিন্তু ভাল কিছু পাচ্ছি।যেমন দুইদিন আগের আফরানের আরো একটি কাজ কায়জার।ওইটাও কিন্তু যথেষ্ট ভাল ছিল।
এসব ভাল কাজ গুলা আসতে থাকুক ওটিটি এর হাত ধরে..❤️
আসুক বাংলা ভাল কন্টেন্ট......
#হ্যাপি_ওয়াচিং 
#syndicate
Syndicate ( 2022) Country : Bangladesh
Season 01 Episode 07 some spoilers
বিরিয়ানি খাওয়ার পর যদি আমাকে খিচুরি গরুর মাংশ খেতে দেয় আর খিচুরি রান্না যতই ভালো হোক না কেনো বিরিয়ানীর মত টেস্ট মুখে লাগবে না। তবে খিচুরি গরু মাংশ খাওয়ার পর যদি এক প্লেটে গরম বিরিয়াণী খেতে দেয় তাহলে কিন্তু বিরিয়ানী মুখে টেস্ট লাগবে। খিচুরির টেস্ট হারিয়ে যাবে। ‘’কায়জার’’ হলো বিরিয়ানী আর ‘’সিন্ডিকেট’’ হলো খিচুরি গরু মাংশ। আমার অবস্থা ঠিক তাই হয়েছে। আমি আগেই কায়জার দেখে ফেলেছি যার দরুন সিন্ডিকেট আমার কাছে কায়জারের মত বেটার ও টেস্ট লাগে নাই, তবে সিরিজটা আসলেই বেটার। আরেকটি বেটার ক্রাইম ড্রামা উপহার পেলাম। ক্রাইম ড্রামার মধ্যে রোমান্টিকের উকি ঝুঁকি তো আছেই।।
নাজিফা তুষির লুকিং এক্সপ্রেশন ও অভিনয় ভালো ছিলো, অভিনয় খারাপ হয় নাই তবে অসাধারণ না। আপনারা অনেকে যেভাবে তুষির প্রশংসা করেছেন তাতে মনে হয়েছিলো ক্রিয়েটিভিটি পার্ফরমেন্স করেছে কিন্তু আমার কাছে সেটা মনে হয় নাই। যদিও এটা যার যার ব্যাক্তিগত ব্যাপার। তুষিকে ভালো লেগেছে কিন্তু অসাধারণ মনে হয় নাই। যদিও যার যার ব্যাক্তিগত ব্যাপার। সিরিজে সাইকোলজিক্যাল ফাইট ও দ্বন্দটা ভালই জমেছিলো। অ্যাসপারগার সিনড্রোমের রোগীরা সাধারন মানুষ থেকে একটু আলাদাই থাকে। তারা অটিজম হলেও তাদের মধ্যে যে সুপ্ত কিছু ক্রিয়েটিভিটি থাকে যেটা আদনানের মধ্যে ছিলো। 
আবেগের সাথে আবেগের লড়াই জমজমাট ছিলো। আমি মনে করি আবেগ একটা দলিল, এই দলিলে অনেক প্রমান লুকিয়ে থাকে, আবেগ একটা ছদ্মবেশ যার মধ্যে আসল স্বত্তা আয়নার বিপরীতে লুকিয়ে থাকে, আবেগ একটা অস্ত্র যার গুলি বুলেটের চেয়েও ক্ষত সৃষ্টি করে। আবগের ফাঁদে পরেই যাচ্ছে মি আদনান। তুষির মৃত্যুর পিছনেও একটা আবেগ নিশ্চই কাজ করতো। সেই আবেগ গুলো কে চিহ্নিত করতে যায় মি আদনান, সেই সাথে আবেগময় পশুরুপী মানুষগুলোকেও দেখতে চায়, ধরতেও চায়। আবেগের মধ্যে সত্যিকারের ভালবাসাও থাকে। আজ সেই আবেগগুলো মৃত কিন্তু কল্পনায় জীবিত। প্রেম ভালোবাসার সাথে ক্রাইম ও ড্রামার সংমিশ্রন ভালোই ছিলো। লোকেশনগুলো চাইলে আরো ভালো করা যেতো। তবে থ্রিলিং গানের অভাবটা অনুভব করছিলাম। টেকনলজির ব্যাবহার গুলো সিরিজটাকে আরো ডেভেলপ করেছে।।
নাসির উদ্দিন খানের অভিনয় বরাবরই ভালো ছিলো। তার খল চরিত্র সিরিজে টান টান উত্তেজনা সৃষ্টি করেছিলো। তবে সিরিজে বড় ধরনে টুইস্ট বা সাসপেন্স ছিলো না। সিরিজের প্লট হোল ছিলো। কিছু কিছু চরিত্র বা দৃশ্য না থাকলেও হতো। তবে যদি দ্বিতীয় সিজন করে তাহলে হয়ত কাহানী আরো উপলদ্ধি করা যাবে। আশা করি দ্বিতীয় সিজন হোক। নিশোর কথায় আসি তাহলে, অসাধারণ অভিনয় ও রিয়েল অটিজম এক্সপ্রেশন ছিলো। তবে মি আদনান এর চরিত্রে সিয়ামকে দিলে মন্দ হতো না। সিরিজের শুরুতেই হালকা থ্রিলিং ছিলো ধীরে ধীরে চরিত্রগুলো ড্রামা আকারে তুলে ধরা হলো। গল্প মোটামোটি। ডিরেকশন বেটার। বাংলাদেশ সিরিজে এগিয়ে যাক।
 সিরিজে আরেকটা জিনিষ বুঝলাম কর্পোরেট সেক্টরে মেয়েদের কত শারীরিক ও মানসিক হেনস্থা ও ব্ল্যাকমেইলের স্বীকার হতে হয়। মেয়েরা বাধ্য হয়ে কত সেক্রিফাইস নিজেক করে। তুষিদের মত ভাল মেয়েদের আমাদের সমাজের কিছু লোকরাই নষ্ট করে।যদিও এটা যার যার ব্যাক্তিগত ব্যাপার।
সময়ের কারণে একটু দেরীতে দেখা হয়েছে তবে সবাই এই সিরিজ কে নিয়ে প্রায়ই গ্রুপে যেইভাবে হাইপে তুলতেছে এত্ত হাইপের কিছুই পাই নি।
Web Series, Syndicate 
Season 01
PR Rating 05/10
হালকা স্পয়লার এলার্ট ⚠️
যারা আমার মতো থ্রিলার সিরিজ নাটক মুভি দেখতে পছন্দ করেন তাদের জন্য এই সিন্ডিকেট ওয়েব সিরিজ টি। তবে দেখতে বসার আগে বিভিন্ন গ্রুপ পেইজে শেয়ার করা ছোট ক্লিপ কিংবা রিভিউ দেখে অতিরিক্ত বেশী এক্সপেক্টশন নিয়ে দেখতে বসবেন না। নাহলে আমার মতো ডস খাবেন।
প্রথমেই যদি আসি অভিনয় এর সাবজেক্ট এই তাহলে বলবো এইখানে নিশো বলেন নাজিফা তুশি বলেন কিংবা তাসনিয়া ফারিন বলেন তাদের অভিনয়ে নিত্য নতুন তেমন কিছু একটা দেখতে পাবেন না।
নিশো কে এই ক্যারেক্টর এই এর আগেও বেশ কয়েকবার দেখেছি। 
তবে এই সিরিজে নিশো নিজের যেই ক্যারেক্টর টা প্লে করেছে নিজের সর্বোচ্চ টা দিয়ে চেষ্টা করেছে এবং প্রায়ই পারফেক্ট লি ভাবেই প্লে করেছে।
নিশো ছাড়া ও এই গল্প টি মূলত যাকে ঘিরে শুরু হয় নাজিফা তুশি সে ও তার এক্সপ্রেসন এক্টিং পারফরম্যান্স নিজের বেস্ট টা দেওয়ার চেষ্টা করেছে।
এই গল্পে তাসনিয়া ফারিন এর বেশ একটা ভূমিকা ছিলো এবং সে ও তার সর্বোচ্চ টা দেওয়ার চেষ্টা করেছিলো।
এই সিরিজ টি হাইপে উঠার মূল কারণ হলো এলেন স্বপন যে সিরিজের একদম শেষে গিয়ে নিজের আসল ক্যারেক্টারে ফিরে আসে তার ডায়লগ ডেলিভারি এক্সপ্রেস জাস্ট অসাধারণ ছিলো।
গল্প টা ইউনিক কিছু না হলেও একমাত্র এলেন স্বপন এর লাস্ট এর কিছু ডায়লগ এর জন্য এই সিরিজ টি সম্পূর্ণ হাইপে উঠেছে বলে আমি মনে করি।
ভালো না লাগার দিক,,
কিছু কিছু জায়গায় স্কিন প্লে স্লো ছিলো, 
সিরিজের শুরুতে আপনাকে কিছুক্ষণ বোরিং না করলে ও মধ্যকানে গিয়ে কিছুটা বোর ফিল করাবে কিন্তু এরপর এলেন স্বপন নিজের ক্যারেক্টর এই ফিরে আসার আগ মুহুর্ত থেকে আপনাকে আর বোর ফিল করাবে না।
আমরা সবাই থ্রিলার কোনো সিরিজ মুভি দেখার সময় শেষে গিয়ে বড় ধরনের কোনো টুইস্ট অবশ্যই আশা করি তবে এই সিরিজে শেষে গিয়ে কোনো প্রকার কোনো বড় ধরনের কোনো টুইস্ট ছিলো না।
বুঝলাম আপনি ২য় সিজন আনবেন 
কিন্তু আপনি ১ম সিজনে কি করলেন? 
প্রায়ই মেইন ক্যারেক্টর গুলোকেই সমাপ্তি টেনে দিয়েছেন। 
হতে পারে ২য় সিজনে আপনি আরও নতুন কিছু ক্যারেক্টর এড করবেন ইত্যাদি ইত্যাদি 
তবে আপনার এই কাজ টির কারণে অডিয়েন্স দের ২য় সিজনের প্রতি আগ্রহ অবশ্যই কমে যাবে স্বভাবিক।
আর আপনি ১ম সিজনে শেষে গিয়ে এমন কোনো টুইস্ট রাখেন নি যে অডিয়েন্স আপনার ২য় সিজনের জন্য অপেক্ষা করবে।
যাই হউক আরও কিছু বলতে গেলে অতিরিক্ত বেশী স্পয়লার হয়ে যাবে। 
এই সিরিজ টি ইউটিউবে পেয়ে যাবেন আর এইচডি দেখতে চাইলে অবশ্যই চরকি থেকে দেখে নিবেন তবে হ্যাঁ এইচডি ছাড়া দেখে বিন্দু মাত্র কোনো মজা পাবেন না।
ওয়েব সিরিজ: সিন্ডিকেট (সিজন ১)
প্লাটফর্ম: চরকি
জনরা: ক্রাইম থ্রিলার
No Spoiler
বাংলাদেশে এরকম চমৎকার থ্রিলার সিরিজ নেই বললেই চলে। ‍চমৎকার গল্প, অভিনয়, স্ক্রিনপ্লে, ম্যাসেজ ডেলিভারি সবই অসাধারণ ছিল।
প্লটটা এমন ভাবে সাজানো হয়েছে যেন দেখে এটার সাথে Netflix এর 13 Reasons Why এর মিল খুঁজে পাচ্ছিলাম। যেখানে প্রথম দিকেই একটা মৃত্যু হয়ে যায়, এরপর সেই মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ঘটনা এগোতে থাকে। ঘটনার সাথে সাথে ভেতরের বিভিন্ন চমক একে একে রিভিল হতে থাকে। বিষয়টা খুবই চমৎকার ছিল।
এরপর প্রথম সিজনের শেষের দিকে একটা চমক রাখা হয়েছে যেটাকে আমি অনেকটা Game of Thrones ‍Season 3 এর Red Wedding এর সাথে মিল খুঁজে পেলাম। আমার মনে হয় শেষের দিকের এই চমকটা Red Wedding থেকেই অনুপ্রাণিত। যারা GOT দেখেছে তারা হয়তো বুঝতে পারবে বিষয়টা। থ্রিলার এর মধ্যে এরকম চমক একটা ভিন্ন মাত্রা তৈরী হয়েছে Syndicate এ।
অভিনয় এর কথা বলতে গেলে প্রধান তিন ক্যারেক্টার নিশো, ফারিণ, তুষি এরা এক্সপ্রেশন অসাধারণ ছিল। বাকি কাস্টদের অভিনয়ও মোটেই খারাপ লাগার মতো ছিল না বরং যার যেখানে যে ভাইব দেওয়া দরকার সে সেটাই দিয়েছে বলে মনে হয়েছে। ভিলেন ক্যারেক্টারগুলোর অভিব্যাক্তি যথেষ্ট আতঙ্ক ছড়াতে পেরেছে।
নিশোর কথা আলাদা করে বলতে গেলে সে আসলেই একটা এসেট। আদনান চরিত্রটা নিজের মধ্যে গেঁথে নিয়েছে একদম।
আশা করি সিন্ডিকেট দেখে কেউ হতাশ হবেন না। এরকম কাজ বাংলাদেশের জন্য আরও দরকার। পরের সিজনের অপেক্ষায় রইলাম।
Happy Watching.. :)
"..কাজল চোখের মেয়ে,
আমার দিবস কাটে বিবশ হয়ে,তোমার চোখে চেয়ে।
তাকাস কেন?
আঁকাস কেন? আমার বুকে আকাশ
তুই তাকালে থমকে থাকে,আমার বুকের বা পাশ.."
নিশোর-তুশির কণ্ঠ জড়িয়ে আসা এইটুকু সংলাপ একদম মনে গেঁথে গেছে।কতবার যে শুনেছি এইটুক!অপেক্ষা করতে লাগলাম পুরো সিরিজটার।অবশেষে একেবারে রাত বারোটার সাথেই চরকিতে "সিন্ডিকেট" শুরু হলো!
সিরিজঃ সিন্ডিকেট
পরিচালকঃ শিহাব শাহীন
প্ল্যাটফর্মঃ চরকি
#স্পয়লার_এলার্ট 
একটি বেসরকারি ব্যাংকের কর্মকর্তা জিশা-আদনান।আদনান ভুগছে অ্যাসপারগার সিনড্রোমে।একটু অস্বাভাবিক আচরণ,কার্যকলাপ তাকে সবার থেকে আলাদা রাখে। ব্যাংকের কোনো একটা ট্রেনিংয়ে গুরুত্বপূর্ণ কোনো লেকচারের ফাঁকে হঠাৎই আদনান আবৃত্তি করে উঠে, "কাজল চোখের মেয়ে" কবিতাটি।জিশার ভালো লেগে যায়,ভালো লাগা থেকে ভালোবাসা।হয়ে উঠে আদনানের জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মানুষ।
এই গুরুত্বপূর্ণ মানুষটাই হঠাৎ ক'দিন ধরে আদনানের সাথে অদ্ভুত আচরণ করছে।সারাক্ষণ কোনো ভয়,দ্বিধাদ্বন্দ্বে থাকছে।আদনান নিতে পারেনা বিষয়টা।অনেকজনকে জিজ্ঞেস করেও কোনো কারণ বুঝে উঠেনা।জিশা কিছু একটা লুকাচ্ছে,কিন্তু কি সেটা আদনান জানেনা।ফোন বন্ধ রাখা জিশার হঠাৎই কল আসতে থাকে অনেকবার।ফোনে না পেয়ে ইন্টারকমে কথা বলে আদনানের সাথে।এখানটায় জিশা আর আদনানের শেষ কথা।শেষ কথায় আদনানকে বিয়ে করতে চায় জিশা হুট করেই এবং তখনই নিচে নামতে বললো।এরমাঝেই আরেকটা কল আসে জিশার।আদনান নিচে নামতে না নামতেই বয়ে যায় আদনানের জীবনে সবচেয়ে বড় ঝড়।জিশার দেহ ছিটকে পড়ে কারের উপর,থেতলে আসে জিশার শরীর।গাড়ির গ্লাস গড়িয়ে ঝরতে থাকে রক্ত,বাড়তে শুরু করে গল্পের ডালপালা...
কিন্তু জিশার এই পরিণতি কেনো? এ থেকেই ছুটতে থাকে আদনান,ছুটতে থাকে সিন্ডিকেট,ঘনিয়ে আসে জিশার মৃত্যু রহস্য।সবাই এটাকে আত্মহত্যা বলছে।বলছে বিষয়টা ডিপ্রেশনাল, আদনানই দায়ী।কিন্তু আদনান বিশ্বাস করে জিশা আত্মহত্যা করে নি,সে জানে এখানটায় খুব গভীরে কিছু ঘটে গেছে তার অজান্তে।তারপরও অনেকরকম ভাবেই সন্দেহের তীর আসছে তার দিকে।কিন্তু সে কিছুই জানেনা, জানেনা ঘটনার শুরু কিংবা শেষ।পুলিশের ইনভেস্টিগেশনে পাওয়া গিয়েছে একটা কোড।এই কোডটাই জিশা শেষবার আদনানকে দিতে চেয়েছিলো।কিন্তু এই কোডটাই বা কি?কিসের জন্য দেয়া?একে একে আদনান জড়াতে থাকে সব ঝামেলায়।আর চারপাশে হারাতে থাকে মানুষ।একের পর এক খুন,পুলিশের অসন্তোষজনক ইনভেস্টিগেশন আর আপন মানুষদের হারিয়ে যাওয়ার দৌড়ে আদনানের লক্ষ্য একটাই,জিশাকে খুন করলো কে বা কারা?কি এমন জিনিসে জিশা জড়িয়েছে যা তাকে বাঁচতে দেয় নি?আর জিশাই বা কেনো এমন অদ্ভুত আচরণ করতো?
এই সিরিজটায় মূলত আমার আকর্ষণ তুঙ্গে ছিলো নিশো এবং তুশিকে নিয়ে।সে জায়গাটায় স্যাটিসফাইড।নিশো-তুশি দুজনেই দুর্দান্ত।খুব ভেতর থেকে ধীরে ধীরে কথা বলা,ফেসিয়াল এক্সপ্রেশন,ভয়েসের আপস এন্ড ডাউন, নিশোর সিনড্রোমের সাথে মেলানো আচরণ,তুশির দ্বিধাদ্বন্ধে থাকা সবকিছুই।তাসনিয়া ফারিন ভালো,তবে "স্বর্ণা" চরিত্রে অসাধারণ কিছু দেখানোর সুযোগ অবশ্য ছিলোনা।বলতে হয় নাসিরুদ্দিনের কথা,এই লোকটা কি দুর্দান্ত!ওটিটির কল্যাণে এমন দারুন কিছু কাজ দারুনসব অভিনেতাদেরকে নিয়মিত বানাচ্ছে,বিষয়টা আশাব্যঞ্জক।নির্মাতা শিহাব শাহীনের মরিচীকা ভালো ছিলো,বাট ওভার হাইপড্ লেগেছিলো।কিন্তু সিন্ডিকেট মনে ধরলো খুব।টুকিটাকি নেগেটিভ দিক (মাঝে চিত্রনাট্য একটু ঝুলে যাওয়া,ইনভেস্টিগেশনে লো ডিটেইলিং) বাদ দিলে কাজটা ভালো,এটলিস্ট দেখার পর সময় নষ্ট মনে হবে না।
#হ্যাপিওয়াচিং 
#Chorki 
#syndicate
এই ঈদের অন্যতম সেরা একটা কাজ হচ্ছে শীহাব শাহীন এর নির্মিত ওটিটি প্লাটফর্ম চরকি তে রিলিজকৃত ওয়েব সিরিজ ❝সিন্ডিকেট❞। কেনো সেরা? তা জানতে হলে সর্বপ্রথম কিছু বিষয়ে আলোকপাত করতে হবে, যা ইতোপূর্বে বাংলা কোনো নাটক / ফিল্ম / সিরিজে হয়েছে বলে আমার মনে হয় না! 

১. অ্যাসপারগার সিন্ড্রোমে আক্রান্ত মানুষদের বৈশিষ্ট্য ফুটিয়ে তোলা! 

২. ব্যাংকিং খাতের দুর্নীতি, মানি লন্ডারিং, কালো টাকা সাদাকরণ, সিন্ডিকেট এসব বিষয় যথোপযুক্তভাবে ফুটিয়ে তোলা! এই টপিক নিয়ে এর আগে বাংলাদেশে কোনো কাজ হয়েছে বলে আমার জানা নেই! 

৩. সাদাত হোসেনের লেখা কবিতা ❝কাজল চোখের মেয়ে❞ 'র বেশকিছু চরণ থ্রিলার প্যাটার্নে উপস্থাপন, যা রহস্যের জাল বুনতে বেশ ভূমিকা রেখেছে! 

৪. জিশা চরিত্রে নাজিফা তুষি'র দুর্দান্ত শক্তিশালী একটা পারফরম্যান্স! 

৫. সর্বপরি ❝মহানগর❞ ওয়েব সিরিজে মুখ দিয়ে ❝ছিৎ ছিৎ❞ শব্দ করে তুমুল আলোচনায় আসা অভিনেতা নাসিরউদ্দিন খানের বিশুদ্ধ চাটগাঁইয়া ভাষায় সংলাপ চয়ন এবং অভিনয় যা এককথায় অনবদ্য! 

__________________________________________

সবার প্রথমে আসি ❝অ্যাসপারগার সিন্ড্রোম❞ এর ব্যাখায়! ❝অ্যাসপারগার সিন্ড্রোম❞ হচ্ছে শারীরিক প্রতিবন্ধকতার একটি রূপ বা যাদের এই ধরনের শারীরিক সমস্যা রয়েছে এদের খানিকটা অটিজমের সাথেও তুলনা করা হয়! 

এধরনের রোগীরা একাকীত্বকে নিজের অন্যতম সঙ্গী হিসেবে বিবেচনা করে। এরা কখনোই চোখে চোখ রেখে কথা বলে না। খুব তাড়াতাড়িই এদের রাগ উঠে যায় এবং খুব তাড়াতাড়িই আবার রাগ বিলীন হয়ে যায়! এরা এক শব্দ বারবার উচ্চারণ করে। 

শাহরুখ খানের ❝My Name is Khan❞ ফিল্মটা দেখলে এবিষয়ে ধারণা আরো স্পষ্ট হবে! সেসময় শাহরুখকে বেশ কষ্ট করতে হয়েছিলো সেই পারফরম্যান্স বিল্ডআপ করার জন্য! ❝My Name is Khan❞ এর শ্যুটিং শেষ হওয়ার পর বেশকিছু ইন্টারভিউ, টকশো-তেও দেখেছিলাম শাহরুখের কথাবলার বাচনভঙ্গি ফিল্মের চরিত্রের মতো! ঘাড় উঁচু করে নিচের দিকে তাকিয়ে কথা বলা, নীরবতা পালন করা, চোখে চোখ না রাখা ইত্যাদি বিষয় সেসময়ের বেশকিছু ইন্টারভিউতে পরিলক্ষিত হয়েছিলো। 

বাংলাদেশে এধরনের পারফরম্যান্স করলে চঞ্চল চৌধুরী আর আফরান নিশো এই দু'জনেই করতে পারবে, এতটুকু হলফ করে বলে দেওয়া যায়! এবং সে জায়গায় নিশো কখনোই আশাহত করেনি! এতো স্ট্রং একটা পারফরম্যান্স যে দেখতে পাবো, এটা সত্যিই অবিশ্বাস্য ছিলো! কোনো কথা বলার দরকার নেই, চোখ - মুখ - অঙ্গভঙ্গিই যেনো কথা বলে, অভিনয় করে! 

__________________________________________

❝জিশা❞ চরিত্রটি সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ এই সিরিজে! নাজিফা তুষি'র এখন পর্যন্ত সেরা পারফরম্যান্স ছিলো এই ❝জিশা❞ চরিত্রে অভিনয়! 

এছাড়াও তাসনিয়া ফারিন, শতাব্দী ওয়াদুদ, রাশেদ মামুন অপু উনারা সবাই তাদের নিজেদের জায়গায় থেকে একদম সেরাটা দিয়েছেন। 

বিশেষ করে রাশেদ মামুন অপু'র ❝যদিও এইটা আপনার ব্যাক্তিগত ব্যাপার...❞ বারংবার বলাটা বেশ চমকপ্রদ লেগেছে! 

__________________________________________

তো কেনো দেখবেন সিন্ডিকেট? দেখবেন কারণ,

১. দিনেদুপুরে ব্যাংক ডাকাতি সম্পর্কে একটা স্পষ্ট ধারণা পাবেন আপনি। ব্যাংকিং সেক্টরের দুর্নীতি সম্পর্কে একটা স্পষ্ট ধারণা হবে আপনার! 

২. আপনার আশেপাশে এরকম অনেক মানুষ পাবেন যারা অ্যাসপারগার সিন্ড্রোমে আক্রান্ত। কিন্তু আমি - আপনি - আমরা প্রতিনিয়ত তাদের সাথে দুর্ব্যবহার করে যাচ্ছি, তাদের শারীরিক দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে ফাজলামো করছি। এদের ব্যাপারে একটা স্পষ্ট ধারণা হবে আপনার। পরবর্তীতে জেনে-বুঝে হয়তো এদের সাথে আমরা আর কেউ কখনো দুর্ব্যবহার করবো না! 

৩. একটা পারফেক্ট থ্রিলার যা একদম শেষ পর্যন্ত আপনাকে বসিয়ে রাখতে যথেষ্ট! 

__________________________________________

হ্যাপি ওয়াচিং! 

রেটিং : ০৯/১০

Cookie Consent
We serve cookies on this site to analyze traffic, remember your preferences, and optimize your experience.
Oops!
It seems there is something wrong with your internet connection. Please connect to the internet and start browsing again.